আইসিস ঐতিহাসিক স্থাপনা ও সাংস্কৃতিক সম্পদ ধ্বংশ করছে


2015.03.21
Share on WhatsApp
Share on WhatsApp
culturaltargets-slideshow-1-1000.jpg

গত ১৮ মার্চ,২০১৫ তিউনিসে বারডো মিউজিয়ামে সন্ত্রাসী আক্রমনের সময় পর্যটকদের দূরে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। [এএফপি]

culturaltargets-slideshow-2-1000.jpg

হামলার একদিন পর,বারডো ন্যাশনাল মিউজিয়ামে সাংবাদিকরা জড়ো হয়েছেন।এটি রোমান মোজাইকের জন্য খ্যাত।[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-3-1000.jpg

বারডো মিউজিয়ামে হামলাকালে নিহত তিউনিসিয়ান পুলিশ সদস্য আয়মেন মরজানে’র মা তাঁর সন্তানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন.১৯ মার্চ,২০১৫ [এএফপি]

culturaltargets-slideshow-4-1000.jpg

এই ম্যাপে দেখা যাচ্ছে ইরাকের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো কোনোটি আইসিসের হামলার শিকার হয়েছে অথবা হুমকির মুখে।[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-5-1000.jpg

ইরাকের নিমরুদে মানুষের মুখের আদলে দাঁড়িয়ে থাকা পাখাওয়ালা ষাঁড়-এর ভাস্কর্য। ২১এপ্রিল,২০০১ ।আইসিস জানিয়েছে এই প্রাচীন শহরটি তারা নাকি নির্মূল করে ফেলেছে।[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-6-1000-.jpg

একটি অনলাইন ভিডিও থেকে নেয়া এই ছবিটি, আইসিস জঙ্গিরা হাতুরি-কুঠার দিয়ে ভেঙ্গে চূরমার করে প্রাচীন আসিরিয়ান একটি ভাস্কর্য যেটি ইরাকের মসুলে নিনেভেহ মিউজিয়ামে সংরক্ষিত ছিল।[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-7-1000.jpg

ইরাকি সালেম হারুশ কাদরি, প্রাচীন শহর হাতরার অভিভাবক,এখানকার কয়েকটি উপাসনালয়ের একটি দেখিয়ে দিচ্ছেন।২১ এপ্রিল,২০০৩[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-8-1000.jpg

অনলাইন থেকে নেয়া আরেকটি ছবি, আইসিস জঙ্গিরা একটি ভাস্কর্য উলটে ফেলে দিচ্ছে, নিনেভেহ মিউজিউয়ামে তারা যেভাবে ধ্বংশ-উন্মত্ত কাজে লিপ্ত হয়।[এএফপি]

culturaltargets-slideshow-9-1000.jpg

তিউনিসের বারডো মিউজিয়ামের সামনে রক্তমাখা মেঝেতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। ১৯ মার্চ,২০১৫ [এএফপি]

culturaltargets-slideshow-10-1000.jpg

বারডো মিউজিয়ামের বাইরে একজন তিউনিসিয়ান মহিলা আরবীতে লেখা একটি প্লাকার্ড ধরে আছে, এতে লেখা “সন্ত্রাসবাদকে না বলুন, আমাদের সন্তানদের মৃত্যুতে আমরা আর নীরব থাকবো না”।১৯ মার্চ,২০১৫[এএফপি]

বারডো ন্যাশনাল মিউজিয়ামে ২১ জনকে হত্যার ঘটনাটি ছিল হাজার বছরের প্রাচীন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও স্থাপত্যকলা সম্পদ ধ্বংশের ধারাবাহিক আক্রমনের শেষতম নজির।

গত বুধবার আইসিস তিউনিসিয়ার রাজধানীর আক্রমনের দায় স্বীকার করে।

ইউনেস্কোর ডাইরেক্টর জেনারেল ইরিনা বোকোভা ২ বন্দুকধারীর তান্ডব চালানোর ২ ঘন্টা পর প্যারিসে সাংবাদিকদের জানান, “বারডো মিউজিউয়াম এমন একটি জায়গা যা সকলের জন্য উন্মুক্ত। যা বিভিন্ন সংস্কৃতিকে আবিস্কার করা ও তাদের মধ্যে সংলাপের একটি জায়গা।এই কাপু্রুষোচিত কাজ এই নীতিকে অগ্রাহ্য করেছে, যা আমাদের সবাইকে একত্রিত হয়ে আরো বেশি সক্রিয় হয়ে এই উগ্রবাদিতাকে রুখে দাঁড়াতে হবে

সংস্কৃতি ও সংলাপের বিনিমিয়ে অর্জিত সকল গনতান্ত্রিক শক্তির কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে

প্রকাশিত খবর অনুযায়ী,মার্চের প্রথম দিকে আইসিস প্রাচীন শহর হাতরা ও নিমরুদে বুলডোজার চালায়, শহর ২টি এখন আধুনিক যুগের ইরাকে এই গোষ্ঠীর অধীনে যুদ্ধ ক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে আছে।

গত মাসে আইসিস অনলাইনে প্রকাশিত তাদের ভিডিওতে দেখায় ইরাকে মসুলের একটি মিউজিয়ামে আসিরিয়ান সভ্যতার ভাস্কর্যগুলো ধ্বংশ করছে।

মন্তব্য করুন

নীচের ফর্মে আপনার মন্তব্য যোগ করে টেক্সট লিখুন। একজন মডারেটর মন্তব্য সমূহ এপ্রুভ করে থাকেন এবং সঠিক সংবাদর নীতিমালা অনুসারে এডিট করে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে মন্তব্য প্রকাশ হয় না, প্রকাশিত কোনো মতামতের জন্য সঠিক সংবাদ দায়ী নয়। অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন এবং বিষয় বস্তুর প্রতি আবদ্ধ থাকুন।